পাহাড়ে রাশিয়ার অস্ত্র, ২৫০ সেনা ক্যাম্পের দাবি
বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে সম্প্রতি রাশিয়ার তৈরি অস্ত্র উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। নিরাপত্তা বাহিনীর দাবি, এসব অস্ত্র পাচারের মূল রুট ভারত থেকে আসছে। পাহাড়ি এলাকায় বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এসব আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে আসছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার তৈরি একে–৪৭ রাইফেল, গ্রেনেড লঞ্চার এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক। এগুলো সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করছে এবং সেখান থেকে পাচার হয়ে বাংলাদেশের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছাচ্ছে বলে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, পাহাড়ের অস্থিরতা নিরসনে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি আরও বাড়ানো দরকার।
এ প্রসঙ্গে কিছু রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন পাহাড়ে অন্তত ২৫০টি স্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপনের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, সীমান্ত রক্ষা ও বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতা দমন ছাড়া এ অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
সরকারি পর্যায়ে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সীমান্ত এলাকায় বিশেষ নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।








