রাকসু নির্বাচন: শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত না হলে ভোট স্থগিত চান তিন প্যানেল
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট ছাত্রপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য কিছু প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচন স্থগিতের দাবি করেছেন। তারা বলছেন, শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে না থাকলে ভোট কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
আজ সোমবার দুপুরে ক্যাম্পাসের পরিবহন মার্কেটে আমতলায় সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানান ‘সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী তাসিন খান। এছাড়া রাকসু ফর র্যাডিক্যাল চেঞ্জ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।
তাসিন খান বলেন, “নির্বাচনের আগে আমরা উৎসবমুখর পরিবেশে প্রচারণা চালাচ্ছিলাম। কিন্তু পোষ্য কোটার ইস্যুতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা সবাই মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।”
স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুজ্জামান স্নিগ্ধ জানান, “বর্তমানে ভোটের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নেই। এখানে ভোটার নেই, তাই ৩৫ বছর পর এই নির্বাচন করা সম্ভব নয়।”
আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ পরাণ বলেন, “হল ও মেসে গিয়েও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি মাত্র ৩০-৪০ শতাংশ। বাকিরা বাড়ি চলে গেছেন।”
‘রাকসু ফর র্যাডিক্যাল চেঞ্জ’ প্যানেলের মেহেদী মারুফ বলেন, “অনেকে বাড়ি চলে গেছেন। যদি বাড়ি থেকে শিক্ষার্থীদের ভোট দিতে সক্ষম হয়, তখন নির্বাচন সম্ভব।”
গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ক্যাম্পাসে রাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পোষ্য কোটা পুনর্বহালের পর শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। শনিবার জুবেরী ভবনে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মকর্তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি ঘটে। এরপর রবিবার শিক্ষক-কর্মকর্তারা পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেন এবং এখন অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে রয়েছেন।








