ভারত–পাকিস্তান ম্যাচে নজরকাড়া ৫ দ্বৈরথ
ভারত বনাম পাকিস্তান মানেই অন্যরকম উত্তেজনা। কিন্তু দলের লড়াইয়ের ভেতরেও থাকে খেলোয়াড় বনাম খেলোয়াড়ের আলাদা দ্বৈরথ। একটি ছোট লড়াই পুরো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। এশিয়া কাপের আগে এমনই পাঁচটি আকর্ষণীয় দ্বৈরথ নিয়েই আলোচনা—
১. ভারতীয় ওপেনার বনাম শাহিন আফ্রিদি
পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণের মূল ভরসা শাহিন শাহ আফ্রিদি। নতুন বলে উইকেট নেওয়াই তাঁর কাজ। ভারতীয় দলে ওপেনার অভিষেক শর্মা আক্রমণাত্মক, আর শুবমান গিল একটু সময় নিয়ে খেললেও স্ট্রাইক রেট থাকে ১৪০–১৫০ এর আশেপাশে। আফ্রিদি যদি এই দুই ওপেনারকে দ্রুত ফেরাতে পারেন, পাকিস্তান শুরুতেই এগিয়ে যাবে।
২. রিস্ট স্পিনারদের লড়াই
ভারতের কুলদীপ যাদব আর বরুণ চক্রবর্তী এখন দারুণ ছন্দে। কুলদীপ সর্বশেষ ম্যাচে মাত্র ৭ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন। অন্যদিকে বরুণ ২০২৪ বিশ্বকাপের পর সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকার করেছেন। পাকিস্তানের আবরার আহমেদও ভালো করছেন, আর তরুণ সুফিয়ান মুকিমও প্রতিশ্রুতিশীল। দুই দলে রিস্ট স্পিনাররাই ম্যাচের মাঝের ওভারে সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারেন।
৩. মোহাম্মদ হারিস বনাম জাসপ্রিত বুমরা
হারিস আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত। তিনি প্রায়ই অপ্রচলিত শট খেলেন। এশিয়া কাপে প্রথম ম্যাচেই ওমানের বিপক্ষে ফিফটি করে ম্যাচসেরা হয়েছেন। এবার তাঁকে মোকাবিলা করতে হবে বিশ্বের অন্যতম সেরা পেসার বুমরাকে। তাঁর ছোট্ট ইনিংসও পাকিস্তানকে এগিয়ে দিতে পারে।
৪. হাসান নেওয়াজ বনাম ভারতীয় স্পিনার
অল্প সময়েই হাসান নেওয়াজ পাকিস্তানের টি–টোয়েন্টি দলের বড় শক্তি হয়ে উঠেছেন। চলতি বছর তাঁর স্ট্রাইক রেট প্রায় ১৭৪। স্পিনারদের বিরুদ্ধেও তিনি মারমুখী। ভারতের কুলদীপ ও বরুণের বিপক্ষে হাসানের ব্যাট কেমন চলে, সেটিই নির্ধারণ করতে পারে পাকিস্তানের সংগ্রহ কত বড় হবে।
৫. শুবমান গিল বনাম আবরার আহমেদ
চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে আবরার এক অসাধারণ ডেলিভারিতে গিলকে আউট করে বিতর্কিত উদ্যাপন করেছিলেন। গিলও পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন। সেই ঘটনাই দুই খেলোয়াড়ের দ্বৈরথে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এবার আবার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন তাঁরা।
ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ মানেই উত্তেজনা। তবে এই পাঁচ লড়াই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।











