বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২

জাকসু নির্বাচনে ভিপি আবদুর রশীদ জিতু, জিএস মাজহারুল ইসলাম

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৩৩ পিএম
জাকসু নির্বাচনে ভিপি আবদুর রশীদ জিতু, জিএস মাজহারুল ইসলাম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে জয়ী হয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আবদুর রশীদ জিতু। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের দপ্তর ও প্রকাশনা সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম। তিনি শিবির সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে নির্বাচিত হয়েছেন ফেরদৌস আল হাসান (পুরুষ) এবং আয়েশা সিদ্দিকা মেঘলা (নারী)।

বিভিন্ন সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন—

  • পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক: তানভীর রহমান

  • খাদ্যনিরাপত্তা সম্পাদক: হুসনি মোবারক

  • সমাজসেবা সম্পাদক: আহসান লাবিব

  • সহ সমাজসেবা সম্পাদক (পুরুষ): তৌহিদ হাসান

  • সহ সমাজসেবা সম্পাদক (নারী): নিগার সুলতানা

  • তথ্য প্রযুক্তি ও গ্রন্থাগার সম্পাদক: রাশেদুল ইসলাম

  • ক্রীড়া সম্পাদক (সহ): মাহাদী হাসান (পুরুষ), ফারহানা আকতার (নারী)

  • সাংস্কৃতিক সম্পাদক: মহিবুল্লাহ শেখ

  • সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক: রায়হান উদ্দীন

  • সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক: জাহিদুল ইসলাম।

কার্যকরী সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেন—

  • নারী সদস্য: নুসরাত জাহান, নাবিলা বিনতে হারুন ও ফাবলিহা জাহান

  • পুরুষ সদস্য: মোহাম্মদ আলী চিশতী, আবু তালহা ও তরিকুল ইসলাম।

এর আগে ২১টি হল সংসদের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। বিভিন্ন হলে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে শিক্ষার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। যেমন, ১৩ নং (ছাত্রী) হলে ভিপি নাহাদাতুন হাসানা, জিএস মোহসিনা তুবা ও এজিএস সাদিয়া মেহজাবিন। একইভাবে বেগম খালেদা জিয়া হল, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল, কাজী নজরুল ইসলাম হলসহ বিভিন্ন হলে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়েছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভিপি পদে মোট ৯ জন, জিএস পদে ৮ জন, এজিএস (নারী) পদে ৬ জন এবং এজিএস (পুরুষ) পদে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

👉 সর্বশেষ ঘোষিত ফল অনুযায়ী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন জাকসু নেতৃত্ব গড়ে উঠলো।

ইসিতে আপিল শুনানির প্রথম দিনেই বড় সিদ্ধান্ত: ৫২ আবেদন মঞ্জুর, একজনের প্রার্থীতা বাতিল।

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৬ পিএম
ইসিতে আপিল শুনানির প্রথম দিনেই বড় সিদ্ধান্ত: ৫২ আবেদন মঞ্জুর, একজনের প্রার্থীতা বাতিল।

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) মনোনয়নপত্র সংক্রান্ত আপিল শুনানির প্রথম দিনেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এসেছে। মনোনয়নপত্র বাতিল ও গ্রহণ সংক্রান্ত আপিল শুনানি শেষে ৫২টি আবেদন মঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল মঞ্জুর হয়ে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন ৫১ জন, আর বৈধ মনোনয়নের বিরুদ্ধে একটি আপিল মঞ্জুর হওয়ায় একজন প্রার্থী প্রার্থীতা হারিয়েছেন।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে পূর্ণ কমিশনের উপস্থিতিতে এই আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রথম দিনে মোট ৭০টি আপিল শুনানির জন্য নির্ধারিত ছিল। আপিলকারী প্রার্থীরা এবং তাদের পক্ষে আইনজীবীরা কমিশনের সামনে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে ১৫ জনের আপিল আবেদন খারিজ করা হয় এবং তিনজনের আপিলের শুনানি মুলতবি রাখা হয়েছে।

এদিন যে একজন প্রার্থী প্রার্থীতা হারিয়েছেন তিনি হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এ কে একরামুজ্জামান। তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর হওয়ায় কমিশন তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত দেয়।

উল্লেখযোগ্য আপিলকারীদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কক্সবাজার-২ আসনের প্রার্থী ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ এবং ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা।

ইসি সূত্র জানায়, রোববার (১১ জানুয়ারি) ৭১ থেকে ১৪০ নম্বর পর্যন্ত আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে এই শুনানি চলবে।

এদিকে সারাদেশে রিটার্নিং কর্মকর্তারা মোট ৭২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। এর বিরুদ্ধে পাঁচ দিনের মধ্যে ৬৪৫ জন প্রার্থী আপিল দায়ের করেন। এসব আপিল শুনানি আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে।

প্রথম দিনের শুনানিতে যেসব দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন ফিরে পেয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন— বিএনপির একজন, জামায়াতে ইসলামীর একজন, জাতীয় পার্টির ১৩ জন, ইসলামী ঐক্যজোটের একজন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির দুজন, খেলাফত মজলিসের পাঁচজন, ইসলামী আন্দোলনের চারজন, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের একজন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের একজন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির একজন, জাগপার দুজন, ইসলামিক ফ্রন্টের একজন, এবি পার্টির একজন, বাসদের দুজন এবং ইনসিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের একজন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ১৩ জন তাদের প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন।

“তারেক রহমানের দেশে ফেরায় সরকারের কোনো বাধা নেই: প্রেস সচিবের স্পষ্ট বার্তা”

মোঃ রুবেল মিয়া প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:২৯ পিএম
“তারেক রহমানের দেশে ফেরায় সরকারের কোনো বাধা নেই: প্রেস সচিবের স্পষ্ট বার্তা”

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান দেশে ফিরতে বাধার ইঙ্গিত দেওয়ার পর এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরায় সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের বাধা বা আপত্তি নেই।

শনিবার বিকেলে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে প্রেস সচিব লিখেন, “এ ব্যাপারে সরকারের তরফ থেকে কোন বিধিনিষেধ বা আপত্তি নেই।” তাঁর এই মন্তব্য আসে তারেক রহমানের এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টের পর, যেখানে তিনি বলেন যে, দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত তাঁর একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।

ওয়ান–ইলেভেনের পর ২০০৮ সালে কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান তারেক রহমান। এরপর থেকেই তিনি সেখান থেকে দল পরিচালনা করছেন। গত বছর জুলাই মাসে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তাঁর বিরুদ্ধে থাকা বিভিন্ন মামলার সাজা বাতিল হলে দেশে ফেরার আলোচনা জোরদার হয়।

সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থতার কারণে দলের ভেতরে তারেকের দ্রুত ফেরার আশা জাগলেও তিনি আজ সকালে লন্ডন থেকে দেওয়া পোস্টে জানান, মায়ের কাছে ফেরার ইচ্ছা থাকলেও তা বাস্তবায়ন তাঁর একার সিদ্ধান্ত নয়। “রাজনৈতিক বাস্তবতা প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছালেই দেশে ফেরার দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে”— যোগ করেন তিনি।

এদিকে প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার প্রতি প্রধান উপদেষ্টা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দেশবাসীর কাছে তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন।

চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে প্রাইভেট কার পড়ে সাইকেল আরোহীর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:১০ পিএম
চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে প্রাইভেট কার পড়ে সাইকেল আরোহীর মৃত্যু

চট্টগ্রাম নগরের নিমতলা এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে একটি প্রাইভেট কার ছিটকে নিচে পড়ে এক সাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বন্দর থানার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদ জানান, হঠাৎ প্রচণ্ড শব্দ শোনার পর তিনি থানার ভেতর থেকে বের হয়ে দেখেন, একটি গাড়ি এক্সপ্রেসওয়ে থেকে পড়ে উল্টে আছে। গাড়ি থেকে দুজন যাত্রী বেরিয়ে আসেন—তাঁরা সামান্য আহত হয়েছেন। তবে নিচ দিয়ে যাওয়া এক সাইকেল আরোহী ঘটনাস্থলেই মারা যান।

সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর) মাহমুদুল হাসান বলেন, গাড়িটি যে স্থান দিয়ে নিচে পড়ে গেছে, সেখানে একটি বাঁক রয়েছে। অতিরিক্ত গতির কারণেই গাড়িটি রেলিং অতিক্রম করে নিচে পড়ে যায় বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা নতুন নয়। পরীক্ষামূলক চালুর পর থেকে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কার দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে নিয়মিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক, চালকদের গতিসীমা না মানা ও বেপরোয়া গতি এ দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।

সরেজমিনে দেখা যায়, ৬০ কিলোমিটার সর্বোচ্চ গতিসীমা এবং বাঁকগুলোতে ৪০ কিলোমিটার সীমা বেঁধে দেওয়া হলেও অধিকাংশ গাড়ি তা মানছে না। পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও মোটরসাইকেল চলাচল করছে এক্সপ্রেসওয়েতে। কোথাও নেই গতি নিয়ন্ত্রণকারী ক্যামেরা বা যন্ত্র। ফলে অনেকেই অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালাচ্ছেন।

চট্টগ্রামের লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত সাড়ে ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে বেশ কয়েকটি বাঁক। এসব স্থানেও অধিকাংশ চালক গতি কমান না। অনেক সময় যাত্রীরা গাড়ি থামিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ছবি তুলতেও দেখা যায়, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে।