অতিরিক্ত লবণ খাওয়ায় বাড়ছে কিডনির রোগ
বাংলাদেশে কিডনি রোগীদের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর অন্যতম কারণ হলো অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রতিদিন ৫ গ্রাম লবণ খাওয়ার পরামর্শ দিলেও বাংলাদেশের মানুষ গড়ে ১০-১২ গ্রাম পর্যন্ত লবণ খাচ্ছেন।
কিডনি বিশেষজ্ঞদের মতে, লবণ বেশি খাওয়ার ফলে রক্তচাপ বেড়ে যায়। উচ্চ রক্তচাপ কিডনির ক্ষুদ্র রক্তনালীগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর ফলে কিডনির কার্যক্ষমতা কমতে থাকে এবং দীর্ঘমেয়াদে ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়।
গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত লবণ শুধু কিডনি নয়, হৃদরোগ, স্ট্রোক ও পাকস্থলীর ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ায়। বাংলাদেশের অনেক মানুষ ভাত, তরকারি ও ভাজাপোড়ায় বাড়তি লবণ মেশান, যা আসলে স্বাস্থ্যহানির প্রধান কারণ।
চিকিৎসকেরা পরামর্শ দিচ্ছেন, খাবারে কম লবণ ব্যবহার করতে এবং টেবিলে আলাদা করে লবণ না রাখতে। প্রসেসড ফুড যেমন চিপস, ফাস্টফুড ও আচারেও প্রচুর পরিমাণে লবণ থাকে, তাই এসব এড়িয়ে চলা উচিত।
কিডনিকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান করা, ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়া এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। সচেতন জীবনযাপনই কিডনি রক্ষার একমাত্র উপায়।











