নেপালে অলি সরকার পতন, নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন জানার অপেক্ষা
নেপালে এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সংঘটিত বিক্ষোভ ও সহিংসতা শেষে প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি পদত্যাগ করেছেন। তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওদেল। তবে প্রেসিডেন্ট আরও জানিয়েছেন, পরবর্তী ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত অলি দায়িত্বে থাকবেন।
বর্তমানে অলি কোথায় আছেন বা তাঁর ভবিষ্যৎ কী হবে, তা সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অনেকেই অবাক হয়েছেন কেন তাঁকে দায়িত্বে থাকা অনুরোধ করা হয়েছে।
নেপালের সংবিধান বিশেষজ্ঞ ভিমার্জুন আচার্য বলেন, “এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম না। এর সমাধান কেবল সর্বদলীয় আলোচনার মাধ্যমে সম্ভব। তবে আগে বিক্ষোভ বন্ধ হতে হবে এবং স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।”
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে, তারা হলেন:
-
নেপালের সুপ্রিম কোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি
-
তাঁর পূর্বসূরি কল্যাণ শ্রেষ্ঠা
তাদের দুজনের বয়সই ৭০-এর ওপরে। যদিও তারা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব ছিলেন, অনেকে মনে করছেন যে ৩০ বছরের কম বয়সীদের আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য পূর্ণ হবে না যদি এই দুজনের মধ্যে কেউ অন্তর্বর্তী প্রধান হন।
আরও একটি নাম উচ্চারিত হচ্ছে—কাঠমান্ডুর মেয়র বালেন শাহ। বয়স ৩৫ বছর। তিনি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং র্যাপার। অলি সরকারের কঠোর সমালোচক বালেন শাহ জেন-জির বিক্ষোভে সমর্থন দিয়েছেন। তবে তিনি নিজে নেতৃত্ব নিতে চাইছেন না এবং তরুণদের সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে, নেপালের সেনাবাহিনী জনগণকে শান্ত থাকার এবং দেশব্যাপী সম্পত্তি ও জীবন রক্ষা করার জন্য সতর্ক করেছে। তারা শান্তি ও পারস্পরিক ঐক্যের মাধ্যমে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করার কথাও জানিয়েছে।










