কাতারে ইসরায়েলের হামলায় ট্রাম্পের অসন্তোষ
ইসরায়েল কাতারে বিমান হামলা চালিয়েছে, যেখানে হামাসের রাজনৈতিক নেতাদের হত্যার চেষ্টা করা হয়। এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এবং একে একতরফা হামলা বলে আখ্যা দিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, “ইসরায়েলের এই হামলার প্রতিটি দিক নিয়েই আমি অসন্তুষ্ট। আমরা জিম্মিদের ফেরত চাই, কিন্তু আজ যা ঘটেছে, তাতে আমরা খুশি নই।” তিনি এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ বিবৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
কাতার এ হামলাকে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, এর ফলে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলমান শান্তি প্রচেষ্টা ভেস্তে যেতে পারে। কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আল-থানি বলেন, “আমরা এর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানানোর অধিকার রাখি।”
কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি আল-উদেইদ অবস্থিত। দেশটি দীর্ঘদিন ধরে গাজায় যুদ্ধবিরতির আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। কিন্তু এই হামলার পর শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ হয়ে গেছে।
হামলায় কাতারের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে সরকার জানিয়েছে। এ ছাড়া হামাস দাবি করেছে, তাদের কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন, তবে শীর্ষ নেতৃত্ব অক্ষত রয়েছে।
ঘটনার পর ট্রাম্প কাতারের আমিরকে ফোন করে আশ্বস্ত করেছেন যে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না। একই সঙ্গে তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গেও কথা বলেছেন।
ইসরায়েল জানিয়েছে, এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল হামাস নেতা খলিল আল-হায়া। তবে তিনি নিহত হয়েছেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
সৌদি আরব, মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নও এ হামলার নিন্দা জানিয়েছে।











