শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

সুমাইয়া ও তাঁর মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৩:৪৭ পিএম
সুমাইয়া ও তাঁর মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আফরিন ও তাঁর মা তাহমিনা বেগমকে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তারা প্রশাসনকে ১২ ঘণ্টা সময় দিলেও ঘটনাটি স্পষ্টভাবে জানানো হচ্ছে না। এ কারণে তারা বিক্ষোভে নামে। শিক্ষার্থীরা স্লোগান দিতে থাকেন— “ফাঁসি ফাঁসি চাই, খুনিদের ফাঁসি চাই”, “আমার বোন কবরে, খুনি কেন বাইরে”, “বিচার চাই, বিচার চাই, সুমাইয়া হত্যার বিচার চাই”

এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আসেন। তিনি বেলা দুইটা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেন। তবে শিক্ষার্থীরা তাঁর কথা না শুনে আন্দোলন চালিয়ে যান।

শিক্ষার্থী ফারুক আল নাহিয়ান বলেন, “গতকালও আমরা একই দাবিতে বিক্ষোভ করেছি। কিন্তু পুলিশ কখনো বলে খুনি ধরা পড়েছে, কখনো বলে প্রেস কনফারেন্স হবে না। আমরা স্পষ্ট জবাব চাই। হত্যার রহস্য না খোলা পর্যন্ত আমরা এখান থেকে সরব না।”

গতকাল সোমবার সকালে নগরের কালিয়াজুরি এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে সুমাইয়া ও তাঁর মায়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত তাহমিনা বেগম কুমিল্লা শহরের সুজানগরের বাসিন্দা। আর সুমাইয়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

সহপাঠী নুরানি শেখ বলেন, “আমরা আমাদের বন্ধু সুমাইয়াকে হারিয়েছি। পুলিশ প্রথম থেকেই বিষয়টি নিয়ে টালবাহানা করছে। প্রয়োজনে আমরা মহাসড়ক বন্ধ করে আন্দোলন করব।”

জানতে চাইলে ওসি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। খুব শিগগিরই হত্যার বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।

“তারেক রহমানের দেশে ফেরায় সরকারের কোনো বাধা নেই: প্রেস সচিবের স্পষ্ট বার্তা”

মোঃ রুবেল মিয়া প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:২৯ পিএম
“তারেক রহমানের দেশে ফেরায় সরকারের কোনো বাধা নেই: প্রেস সচিবের স্পষ্ট বার্তা”

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান দেশে ফিরতে বাধার ইঙ্গিত দেওয়ার পর এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরায় সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের বাধা বা আপত্তি নেই।

শনিবার বিকেলে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে প্রেস সচিব লিখেন, “এ ব্যাপারে সরকারের তরফ থেকে কোন বিধিনিষেধ বা আপত্তি নেই।” তাঁর এই মন্তব্য আসে তারেক রহমানের এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টের পর, যেখানে তিনি বলেন যে, দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত তাঁর একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।

ওয়ান–ইলেভেনের পর ২০০৮ সালে কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান তারেক রহমান। এরপর থেকেই তিনি সেখান থেকে দল পরিচালনা করছেন। গত বছর জুলাই মাসে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তাঁর বিরুদ্ধে থাকা বিভিন্ন মামলার সাজা বাতিল হলে দেশে ফেরার আলোচনা জোরদার হয়।

সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থতার কারণে দলের ভেতরে তারেকের দ্রুত ফেরার আশা জাগলেও তিনি আজ সকালে লন্ডন থেকে দেওয়া পোস্টে জানান, মায়ের কাছে ফেরার ইচ্ছা থাকলেও তা বাস্তবায়ন তাঁর একার সিদ্ধান্ত নয়। “রাজনৈতিক বাস্তবতা প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছালেই দেশে ফেরার দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে”— যোগ করেন তিনি।

এদিকে প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার প্রতি প্রধান উপদেষ্টা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দেশবাসীর কাছে তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন।

চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে প্রাইভেট কার পড়ে সাইকেল আরোহীর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:১০ পিএম
চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে প্রাইভেট কার পড়ে সাইকেল আরোহীর মৃত্যু

চট্টগ্রাম নগরের নিমতলা এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে একটি প্রাইভেট কার ছিটকে নিচে পড়ে এক সাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বন্দর থানার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদ জানান, হঠাৎ প্রচণ্ড শব্দ শোনার পর তিনি থানার ভেতর থেকে বের হয়ে দেখেন, একটি গাড়ি এক্সপ্রেসওয়ে থেকে পড়ে উল্টে আছে। গাড়ি থেকে দুজন যাত্রী বেরিয়ে আসেন—তাঁরা সামান্য আহত হয়েছেন। তবে নিচ দিয়ে যাওয়া এক সাইকেল আরোহী ঘটনাস্থলেই মারা যান।

সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর) মাহমুদুল হাসান বলেন, গাড়িটি যে স্থান দিয়ে নিচে পড়ে গেছে, সেখানে একটি বাঁক রয়েছে। অতিরিক্ত গতির কারণেই গাড়িটি রেলিং অতিক্রম করে নিচে পড়ে যায় বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা নতুন নয়। পরীক্ষামূলক চালুর পর থেকে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কার দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে নিয়মিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক, চালকদের গতিসীমা না মানা ও বেপরোয়া গতি এ দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।

সরেজমিনে দেখা যায়, ৬০ কিলোমিটার সর্বোচ্চ গতিসীমা এবং বাঁকগুলোতে ৪০ কিলোমিটার সীমা বেঁধে দেওয়া হলেও অধিকাংশ গাড়ি তা মানছে না। পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও মোটরসাইকেল চলাচল করছে এক্সপ্রেসওয়েতে। কোথাও নেই গতি নিয়ন্ত্রণকারী ক্যামেরা বা যন্ত্র। ফলে অনেকেই অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালাচ্ছেন।

চট্টগ্রামের লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত সাড়ে ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে বেশ কয়েকটি বাঁক। এসব স্থানেও অধিকাংশ চালক গতি কমান না। অনেক সময় যাত্রীরা গাড়ি থামিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ছবি তুলতেও দেখা যায়, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

সুবর্ণচরে প্রকাশ্যে গলা কেটে হত্যা — তদন্তে নেমেছে পুলিশ

নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে সড়কের ওপর এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৯:০১ পিএম
নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে সড়কের ওপর এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা

 নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় প্রকাশ্যে এক মোটরসাইকেল আরোহীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত ব্যক্তির নাম সুব্রত চন্দ্র দাশ (৪২)। সোমবার বেলা পৌনে দুইটার দিকে উপজেলার চর জবলী গ্রামের পালোয়ান বাড়ির সামনে, আট কপালিয়া–পরিষ্কার বাজার সড়কে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

পুলিশ জানায়, নিহত সুব্রত চন্দ্র দাশ উপজেলার চর আমানউল্যাহ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চর বজলুল করিম গ্রামের চিরু রঞ্জন দাশের ছেলে। খবর পেয়ে চর জব্বর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও কারা এতে জড়িত—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। নিহতের মরদেহ আগামীকাল (মঙ্গলবার) সকালে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে ময়নাতদন্তের জন্য।