গাজায় নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিলেন ট্রাম্প: থামবে কি ইসরায়েলের হামলা?
PHOENIX, ARIZONA - DECEMBER 22: U.S. President-elect Donald Trump smiles during Turning Point USA's AmericaFest at the Phoenix Convention Center on December 22, 2024 in Phoenix, Arizona. The annual four day conference geared toward energizing and connecting conservative youth hosts some of the country's leading conservative politicians and activists. (Photo by Rebecca Noble/Getty Images)
ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসকে ‘শেষ সতর্কবার্তা’ দেওয়ার পর এবার গাজার জন্য নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আশা করছেন, এই প্রস্তাব যুদ্ধ থামাতে সহায়ক হবে। তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, হামাস প্রস্তাব না মানলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
এ পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলের হামলায় ৬৪ হাজার ৫০০–এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। কয়েক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির আলোচনা চললেও ইসরায়েল নানা সময়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
ট্রাম্পের নতুন প্রস্তাব
ট্রাম্পের প্রস্তাব অনুযায়ী, শুরুতেই সব ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিতে হবে। এর বিনিময়ে ইসরায়েল কিছু ফিলিস্তিনি বন্দী ছেড়ে দেবে। এরপর আলোচনা চলবে, কিন্তু যুদ্ধ সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হবে না। বিশ্লেষকদের মতে, এতে ইসরায়েলের হামলা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থেকে যাবে।
হামাসের প্রতিক্রিয়া
হামাস বলেছে, তারা প্রস্তাব হাতে পেয়েছে এবং আলোচনা করতে প্রস্তুত। তবে তারা শর্ত দিয়েছে—যুদ্ধ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে, সেনা গাজা থেকে সরে যেতে হবে এবং ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদের দিয়ে একটি পরিচালনা কমিটি গঠন করতে হবে।
ইসরায়েলের অবস্থান
ইসরায়েল বলছে, তারা প্রস্তাব মেনে নিতে রাজি; তবে শর্ত হলো সব জিম্মি মুক্তি দিতে হবে এবং হামাসকে অস্ত্র সমর্পণ করতে হবে। হামাস স্পষ্ট করেছে, তারা কেবল তখনই অস্ত্র ছাড়বে যদি ইসরায়েল গাজা থেকে সরে গিয়ে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে সম্মত হয়।
প্রস্তাব কি কার্যকর হবে?
ট্রাম্প আত্মবিশ্বাসী হলেও বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এই প্রস্তাবও ব্যর্থ হতে পারে। কারণ, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যুদ্ধ বন্ধে আগ্রহী নন। আগেও তিনি বিভিন্ন শর্ত বদলে চুক্তি ভঙ্গ করেছেন।
এরপর কী?
গাজার মানুষ এখনো ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে আছে। প্রতিদিন নতুন করে বোমা হামলা হচ্ছে, শিশুরা ক্ষুধায় মারা যাচ্ছে। ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর ওপর নির্ভর করছে ভবিষ্যতে এই যুদ্ধ থামবে কিনা। তবে এখনো ইসরায়েলের গণহত্যা থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।










